- বাংলা নিউজ

অন্ধগলির দু:খ | লম্পট, কামুক এদের কোন বাহানা নেই, সরাসরি খদ্দের !!

Barbonita
“ভোটকেন্দ্রে তারা কমই যায়। তারা জানে, বাইরে তাদের লাঞ্চনা। ভদ্রলোকেরা দূর থেকে দাঁড়িয়ে মন্তব্য করে।
কিন্তু সাঁচি বন্দরে তাদের তাদের মাথা নিচু। ভদ্রলোকেরা মাথা হেট করে ঢোকে। আকুলি-বিকুলি করে প্রেম নিবেদন করে।
এখানে শিল্পী আসে, কবি আসে, লেখক আসে, আসে লম্পট, কামুক সব।

শিল্পী আসে শিল্পের বাহানা নিয়ে, মূল-যৌন।
কবি আসে দু:খবোধ-মানবতায়, মূল-যৌন।
লেখক আসে নিচুতলার আঁধারে আলো জালাতে, মূল-যৌন।
কিন্তু লম্পট, কামুক এদের কোন বাহানা নেই, সরাসরি খদ্দের। যৌনতৃপ্তি মেটাতে এরা শিল্প-সাহিত্য কিংবা অভিজ্ঞতার দালালি নিয়ে আসে না।”

উপরের কথাগুলো একজন শিক্ষিতা বারবনিতা অরুনার সহজ স্বীকারোক্তি।

একটা মজার তথ্য দিচ্ছি, যখন ঢাকায় এক টাকায় ১২ সের চাল পাওয়া যেত, তখন আমাদের সমাজের বাবুগন (বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, সমাজপতি) রক্ষিতার পেছনে খরচ করতেন ১৫০ টাকারও বেশি।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজটাকে অন্ধকারে কারা নিয়ে যাচ্ছে? অন্ধগলির ঐ নারীরা নাকি আমাদের শ্রদ্ধেয় বাবুরা?

যেসব তথাকথিত ভদ্রলোকগন (পতিতালয়ের খদ্দের) এর নাক ছিটকানোর অভ্যাসটা খুব বেশি তাদের বলছি, ওদেরকে ঘৃনা করো না। সিটি কর্পোরেশনের মত করে ওরা-ই তোমাদের ভেতরের আবর্জনা গুলো সাফ করে।

তোমাদের সাথে ওদের পার্থক্যটা হচ্ছে: তোমরা আবর্জনা সৃষ্টি করো, ওরা তোমাদের সেই আবর্জনা সাফ করে। তবুও তোমরা নিজেদের ভদ্র বলে দাবি করো, ওরা মাথা নিচু করে থাকে।


ঘৃনা কাকে করবো?

লেখাটি আমার প্রিয় বন্ধু মুকুল-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া, এই সাইটটি শুরু করার সময় যে আমাকে সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিয়েছে।
ঢাকা নিউজ মিস টু ইউ বন্ধু

 

5875 Total Views 1 Views Today